ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে রাসিক প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যের সঙ্গে রাসিক প্রশাসকের মতবিনিময় তানোরে মাচায় তরমুজ চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নয় মাস পর একই কায়দায় লালপুর ভূমি অফিসে আবারও চুরি ​ঠাকুরগাঁওয়ে মিড ডে মিলের ডিম খেয়ে অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী, সপ্তাহে দ্বিতীয় ঘটনা প্রবীণ শিক্ষক আবু সাঈদ মাস্টারের ইন্তেকাল ‘আমরা ধনী পরিবারের সন্তান নই’! অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু চরিত্রে রাজি হওয়া প্রসঙ্গে মত ফাতিমার নেতানিয়াহু মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই খালি জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ কাজীদের ক্ষমতা শেষ, ভারতে মুসলিমদের বিয়ে নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত! তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা সম্ভব, রিটন বিজয়কে নিয়ে রাশমিকা: ‘ও আমারই, তবুও ওর ওপর ক্রাশ খাওয়া থামে না’ ‘গ্যাসের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, শিগগিরই আরও উন্নতি হবে’ সাপে কাটার পর মেয়ে ও সাপ নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন বাবা নাটোরে শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগ, কনস্টেবল ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে ৩৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ রায়ানের শেষ মহূর্তের গোলে সম্মান বাঁচল ব্রাজিলের এক ট্রলারে ধরা পড়ল ৬০ মণ ইলিশ মা-বোনকে পিটিয়ে ঘরে আগুন দিলেন যুবক, ঘটনা কী বিয়ের প্রলোভনে শ্যালিকাকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার দুলাভাই ১৫ হাজার টাকার দলিলে ঘুষ ২ লাখ, কমিশন ২০ হাজার

নারীদের ইতেকাফের নিয়ম ও মাসায়েল

  • আপলোড সময় : ০৮-০৩-২০২৬ ০৫:২৯:১৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-০৩-২০২৬ ০৫:২৯:১৬ অপরাহ্ন
নারীদের ইতেকাফের নিয়ম ও মাসায়েল প্রতীকী ছবি
রমজানের শেষ দশ দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল ইতেকাফ করা। নবীজি (সা.) প্রতি রমজানেই শেষ দশকে ইতেকাফ করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করতেন। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

আয়েশা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফ করেছেন। এরপর তার স্ত্রীগণও (তার সুন্নত অনুসরণ করে রমজানের শেষ দশ দিন) ইতেকাফ করতেন। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজানের প্রথম দশ দিন ইতেকাফ করেছিলেন। এরপর তিনি মাঝের দশ দিন একটি তুর্কি তাবুতে ইতেকাফ করলেন, যার দরজায় একটি চাটাই ছিল। একদিন রাসুল (সা.) চাটাইটি হাতে নিয়ে একপাশে সরিয়ে রাখলেন, তারপর মাথা বের করে লোকদের সাথে কথা বললেন। লোকেরা তার কাছে এগিয়ে গেলো। তিনি বললেন, আমি প্রথম দশ দিন ইতেকাফ করেছি এই রাত (লাইলাতুল কদর) অনুসন্ধানের জন্য। এরপর আমি মাঝের দশ দিন ইতেকাফ করেছি। তারপর আমাকে জানানো হয়েছে যে, এটি (লাইলাতুল কদর) শেষ দশকে রয়েছে। তাই আপনাদের মধ্যে যারা ইতেকাফ করতে চান, তারা যেন ইতেকাফ করেন। এরপর লোকেরা তার সাথে ইতেকাফ করল। (সহিহ মুসলিম)

রমজানের শেষ দশকে পুরুষদের মতো নারীরাও মসজিদে ইতেকাফ করতে পারেন যদি নারীদের ইতেকাফ করার জন্য নিরাপদ ও উপযোগী মসজিদ পাওয়া যায়। এ রকম মসজিদ না পাওয়া গেলে নারীরা নিজেদের ঘরের নির্দিষ্ট ইবাদতের কক্ষে ইতেকাফে বসবেন। ইবাদতের নির্দিষ্ট কক্ষ না থাকলে ইতেকাফের জন্য একটি কক্ষ নির্দিষ্ট করে ইতেকাফের নিয়ত করবেন। খাওয়া-দাওয়া ওই কক্ষেই করবেন এবং শরিয়ত সমর্থিত কারণ ছাড়া ওই কক্ষ ছেড়ে অন্যত্র যাবেন না। ইতেকাফের জন্য যথাসম্ভব ছোট কক্ষ নির্ধারণ করা উচিত যা শুধু তার থাকা ও ইবাদতের জন্যই ব্যবহৃত হবে। এ রকম কক্ষ না পাওয়া গেলে বড় ঘরের কিছু জায়গাও নির্দিষ্ট করেও ইতেকাফের নিয়ত করা যায়।

ইতেকাফে বসার পর শরঈ ওজর ছাড়া ইতেকাফের কক্ষ বা জায়গা থেকে বের হলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে। প্রস্রাব-পায়খানা, অজু ও ফরজ গোসল গ্রহণযোগ্য ওজর; এসব প্রয়োজনে ইতেকাফের জায়গা থেকে বের হওয়া যাবে। ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়ার লোক না থাকলে খাবার আনার জন্য বাইরে যাওয়া যাবে। তবে পানাহার ইতেকাফের জায়গায়ই করতে হবে। বাইরে করা যাবে না। ইতেকাফের জায়গায় থেকে রান্না-বান্নার দিক নির্দেশনা দেওয়া যাবে। রান্না-বান্নার লোক না থাকলে ইতেকাফের স্থানে থেকে রান্না -বান্নার কাজ করা সম্ভব হলে করা যাবে। কিন্তু এ সব প্রয়োজনে ইতেকাফের জায়গা থেকে বের হওয়া যাবে না।

ইতেকাফরত অবস্থায় সহবাস সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ইতেকাফে বসার পর সহবাস করলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে। তাই বিবাহিত নারীদের ইতেকাফে বসার আগে স্বামীর অনুমতি নিয়ে নেওয়া জরুরি। ইতেকাফের অনুমতি দিয়ে দেওয়ার পর স্ত্রীর ইতেকাফে ব্যাঘাত সৃষ্টি না করার স্বামী কর্তব্য।

ইতেকাফরত অবস্থায় রোজা রাখা জরুরি। কেউ যদি কোনো প্রয়োজনে রোজা ভেঙে ফেলে বা কোনোভাবে রোজা ভেঙে যায়, তাহলে তার ইতেকাফও ভেঙে যাবে। যেমন কেউ যদি অসুস্থতার কারণে রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে তার ইতেকাফও ভেঙে যাবে। একইভাবে ইচ্ছাকৃত পানাহার, সহবাস বা জাগ্রত অবস্থায় ইচ্ছাকৃত বীর্যস্খলন ঘটানোর কারণে কারো রোজা ভেঙে গেলে তার ইতেকাফও ভেঙে যাবে। ইতেকাফরত অবস্থায় নারীদের পিরিয়ড বা মাসিক শুরু হলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা সম্ভব, রিটন

তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখা সম্ভব, রিটন